![]() |
| রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প উপন্যাস |
--বর্ষার মা বর্ষাকে আংটি দিয়ে বললো --এইটা তুই পরিয়ে দিবি.,(মা)
--ধুর কারেন্ট চলে গেল। কারেন্ট যাওয়ার আর সময় পেল না। হঠাৎ কে যেনো আমাকে টান দিয়ে জরিয়ে ধরে আমার মুখ চেপে ধরলো যেনো আমি চিৎকার করতে না পারি। ওই লোকটি আমার হাতে আংটি পরিয়ে দিলো সেটা আমি বুঝতে পারলাম। ওই লোকটা এবার আমার হাতে থেকে আংটি নিয়ে ওনিই জোর করে পরে নিলো।(বর্ষা)
--কিছুক্ষণ পর আবার কারেন্ট চলে আসলো । এইটাই ছিল আমার প্ল্যান । যাতে বর্ষা আমাকে না চিনতে পারে।
লাইট জ্বালানোর সাথে সাথে সবাই হাত তালি দিতে লাগলো ।
--দেখলে তো আমার ছেলের কত বুদ্ধি!(মা)।
--হুম দেখতে হবে না ছেলেটা কার !(বাবা)
--এমন এনগেজমেন্ট দেখে সবাই মজা পাইলো। কিন্তু বর্ষা কিছুই বুঝছে না ।রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প উপন্যাস
আমি বাইরে চলে যায়।তাই আমাকেও খুঁজে পায় না।যাইহোক আমি ইমনকে ফোন দিলাম।
--হুম দোস্ত বল?(ইমন)
--দোস্ত একটা সাহায্য করতে হবে!(নীল)
--কী সাহায্য ?(ইমন)
--বর্ষাকে নিয়ে একটু আসবি।(নীল)
--কোথায়?(ইমন)
.......ওইখানে?(নীল)
--ওইখানে এতো রাতে কেন?(ইমন)
--এমনি দোস্ত নিয়ে আয় প্লিজ প্লিজ প্লিজ!(নীল)
--আচ্ছা আচ্ছা বস আমরা আসছি ।(ইমন)
--ওকে দোস্ত ।(নীল)
--বলে ফোন কেটে দিলাম। বর্ষা চল আমার সাথে!(ইমন)
--কোথায় ভাইয়া?(বর্ষা)
--আগে চল পরে বুঝতে পারবি !(ইমন)
আচ্ছা!(বর্ষা)
--তারপরে বর্ষাকে নিয়ে ইমন আসলো আমার বলা জায়গায় ।(নীল)
--ভাইয়া এতো রাতে এই নদীর পাড়ে কেন?(বর্ষা)
--ওই যে ওইখানে একটা লোক বসে আছে দেখেছিস?(ইমন)
--হুম ভাইয়া!(বর্ষা)রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প উপন্যাস
--যা ওর কাছে!(ইমন)
--কে ভাইয়া ওই লোকটা?(বর্ষা)
--নীল!(ইমন)
--নীলের নাম শুনেই বর্ষা দৌড়ে চলে গেল। আমিও চলে আসলাম অন্য দিকে।(ইমন)
--বর্ষা আমার কাছে এসে ঠাস ঠাস 👋👋 করে চড় দিলো।(নীল)
--কোথায় ছিলেন আপনি?(বর্ষা)
--আমি যেখানেই থাকি । তার আগে বলো আমাকে মারলে কেনো?(নীল)
--আপনি যানেন আপনার জন্য আমার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে!(বর্ষা)
--আমার জন্য মানে?(নীল)
--আপনি যদি আমাকে ভালোবাসতেন তাহলে আমাকে আর অন্য কোথাও বিয়ে দিতো না (বর্ষা মনমরা হয়ে)
--আচ্ছা। শুনলাম তোমার নাকি আজ এনগেজ হয়েছে!(নীল)
--হুম (বর্ষা)
--ছেলেটা দেখতে কেমন?(নীল)
--ওই সালা কেমন আমি কি করে জানবো। সালা একটা ফাপর বাজ!(বর্ষা)
--কেনো?🙄(নীল)
--সবার সামনে ফাঁকি দিয়ে আমাকে আংটি পরিয়ে দিয়ে পালিয়ে গেছে। সালাকে সামনে পাইলে খুন করে ফেলতাম।(রাগি হয়ে বলবে)রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প উপন্যাস
--এইখানেই তো বসে আছে তো খুন করেন!(নীল)
--আপনাকে না তো!(বর্ষা)
--আমাকেই তো? কারন আমিই তো তোমাকে আংটি পরিয়ে দিলাম।(নীল)
--মানে?(বর্ষা)
--মানে হলো তখন আমিই তোমাকে আংটি পরিয়ে দিয়েছি।(নীল)
--সত্যি?(অনেক খুশি হয়ে বলল)
--হুম বাবা সত্যি! আমি এই কথা বলার সাথে সাথে বর্ষা আমাকে জরিয়ে ধরলো। কিছুক্ষণ পর আমাকে ছেড়ে দিয়ে আবারও ঠাস ঠাস 👋👋 করে চড় দিলো। আবার কেনো!(নীল)
--এই দুইটা আমাকে এই ২দিন কষ্ট দেওয়ার জন্য দিলাম। জানেন আমি কতো কষ্ট পেয়ে ছিলাম। (বর্ষা)
--আমি কিছু না বলে বসে আছি !
--কি হলো কথা বলছেন না কেন?(বর্ষা)
--আমি চুপ.....
--সরি তো বাবু!(বর্ষা)
--মেরে আবার সরি বলা হচ্ছে!(নীল)
--ইসসস আমার বরের খুব লেগেছে তাই না আচ্ছা আমি এবার আদর করে দিচ্ছি(বর্ষা)
--বলে বর্ষা এবার ঠুস করে আমার ঠোঁটে কিস করতে লাগল। এবার আমিও তার সাথে সাই দিতে লাগলাম।
৫ মিনিট পর ছাড়লাম!
--এবার রাগ কমেছে আমার বরটার (বর্ষা)
--কিসের রাগ?(নীল)
--আচ্ছা এতো রাতে এইখানে আসতে বললেন কোনো?(বর্ষা)
--তোমার মাথার উপরে কী?(নীল)
--আকাশ!(বর্ষা)
--আকাশের মাঝে কী ?(নীল)
--আকাশের মাঝে আবার কী?(বর্ষা)
--উফফফ আজ জোছনা রাত!(নীল)
--হুম তো?(বর্ষা)রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প উপন্যাস
--জোছনা রাতে , খোলা আকাশের নিচে আমি আর তুমি বসে আছি!(নীল)
--হুম ভালো লাগছে!(বর্ষা)
--আর কিছু মনে নেই!(নীল)
--আবার কী?(বর্ষা)
--উফফফ আচ্ছা আমি বলছি । আমি বর্ষার মাথার খোঁপা খুলে দিলাম। বর্ষা নিল শাড়ি পরে এসেছে। বর্ষার পায়ের দিকে তাকিয়ে দেখলাম। বর্ষার পায়ে জুতো । জূতো খুলে আমার হাঁটুর উপরে একটা পা রাখো ?(নীল)
--কেনো?(অবাক হয়ে বর্ষা)
--সেটা বলছি সেটা করো ! তারপরে বর্ষা আমার কথা মতো জুতো খুলে আমার হাঁটুর উপরে একটা পা রাখলো
আমি এক পায়ে পায়েল পরিয়ে দিলাম। বর্ষা দেখে অনেক খুশি হলো.
জোছনা রাতে খোলা আকাশের নিচে প্রিয় মানুষের সাথে ঘাসের উপরে খালি পায়ে হাঁটার খুব ইচ্ছা ছিল তাই না!(নীল)
--হুম! সেটা আপনি জানলেন কি করে?(বর্ষা)
--আরে পাগলি তুমিই তো আমাকে বলেছিলে।(নীল)
--ওহ ভুলে গিয়েছিলাম.(বর্ষা)
--আচ্ছা চললো এবার হাঁটা শুরু করি!(নীল)
--হুম তারপরে আমরা হাঁটতে লাগলাম
--আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ!(বর্ষা)
--কেনো?!(নীল)
--আমার ইচ্ছা পূরণ করার জন্য!(বর্ষা)
--হুম এবার আমার ইচ্ছাও পূরণ করতে হবে!(নীল)
--হুম করবো। বলেন কি ইচ্ছা আপনার!?(বর্ষা)
--আমার ইচ্ছা হচ্ছে ১১টা সন্তান নেওয়ার !(নীল)
--কী?(বর্ষা)
--হুম কি আমার ইচ্ছা পূরণ করবে না !(নীল)
--কিন্তু এতো গুলো কেনো?(বর্ষা)
--ফুটবল টিম তৈরি করবো !(নীল)
--যাহহ্ দুষ্টু!(বর্ষা লজ্জা পেয়ে বললো)
--বাবা আমার বউয়ের এত লজ্জা!(নীল)
--হুম। (বর্ষা)
--বলেই আমার বুকে মুখ লুকালো,আচ্ছা বর্ষা !(নীল)
--হুম!(বর্ষা)
--আচ্ছা আমাদের বাসর রাতটা এইখানেই করলে কেমন হয়?(নীল)
--মানে?(বর্ষা)
--মানে হচ্ছে। আমরা এই খোলা আকাশের নিচেই বাসর করবো !(নীল)
--🙄।(বর্ষা)
--কি হলো?(নীল)
--কিছু না আমি আর হাঁটতে পাচ্ছি না আমাকে কোলে নেন না !(বর্ষা)
--বলতে যেইটুকু দেরী কিন্তু কোলে নিতে একটুও দেরি হয়নি!
বাবাহ এতো ফাস্ট!(বর্ষা)
--বউ 4G তাহলে জামাই তো 5G হবেই!(নীল)
--আচ্ছা এইবার বাসায় যাওয়া যাক!(বর্ষা)
-আজ কোনো বাসা নয় এইখানেই সারারাত!(নীল)
--কী ভয় লাগবে তো !(বর্ষা)
--আমার বুকের মধ্যে থেকেও ভয় করছে তোমার?(নীল)
--আপনি সাথে থাকলে কোনো ভয়ই আমাকে কিছু করতে পারবে না !(বর্ষা)
--হাহাহাহা ডায়লগ তো ভালোই শিখেছো !(নীল)
--মোটেও ডায়লগ না আমি সত্যিই বলছি !(বর্ষা)
--পাঠক।পাঠিকা এবার রাগ করবে কিন্তু!(নীল)
--কেনো?(বর্ষা) রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প উপন্যাস
--অনেক বড় গল্প লিখে ফেলেছি তোমাকে নিয়ে তাই!(নীল)
--ওহ আপনার পাঠক, পাঠিকার জ্বলছে মনে হয়?(বর্ষা)
--ওই চুপ এমন বলতে হয়না পাগলি তারা রাগ করবে !(নীল)
--ওহ আচ্ছা !(বর্ষা)
--হুম। তো আমার শ্রদ্ধিও পাঠক পাঠিকা । এইবার আপনারা যান । আমার একটু গোপনে রোমান্স করি।
আমার কথা শুনে বর্ষা হাসতে লাগলো.
--হিহিহিহিহিহিহিহি....(বর্ষা)
--পাগলি একটা (নীল)
--হুম,,তোমার পাগলি,,(বর্ষা)।
(সমাপ্ত)
গল্পটা কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না,আর অবশ্যই অবশ্যই গল্পটা শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের শোনার জন্য সুয়োগ করে দিবেন আর হ্যা সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন,, আমাদের গল্পশেয়ারের সাথেই থাকবেন।
ধন্যবাদ ❤️❤️

إرسال تعليق