![]() |
| রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প উপন্যাস |
লেখকঃ আদিবা বিনতে রহমান
– কিরে প্রেম টেম করতেছিস নাকি??
– প্রেম করবো ক্যান??
– তারমানে একবারে বিয়েই করবি?
– হুম।
– তো কাকে বিয়ে করবি?
– রিফাত কে।
.
– এই শুনছিস আদিবা রিফাত নামের একটা ছেলেকে নাকি বিয়ে করবে।
– খোঁজ নিয়ে দেখ হয়তো বিয়ে করে ফেলছে।
– সত্যি নাকি?
– হুম। রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প উপন্যাস
.
– আম্মু জানো আমার বান্ধবী আদিবা রিফাত নামের একটা ছেলেকে বিয়ে করে ফেলছে।
– আজকালকার ছেলে মেয়ের উপর বিশ্বাস নাই। পালিয়ে করছে বিয়ে??
– জানি না। পালিয়েই হবে কারণ বিয়ের দাওয়াত দেয় নি তো।
.
– আফা জানেন, আজকালকার মেয়ের উপর একদম বিশ্বাস করা যায় না।
– কেন আফা? কি হইছে?
– আর বইলেন না। রিতুর বান্ধবী আদিবা বাসা থেকে পালিয়ে রিফাত নামের এক ছেলেকে বিয়ে করে ফেলছে এই বয়সেই।
– কি বলেন আফা? সত্যি নাকি?
– হুম।
.
– ওগো শুনছো, সেলিম সাহেবের মেয়ে আদিবা কয়দিন ধরে বাসায় নেই। বাসা থেকে পালিয়ে গিয়ে রিফাত নামের এক ছেলেকে বিয়ে করেছে।
– বড় মেয়ে নাকি ছোট টা?রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প উপন্যাস
– আরে ছোট টা ।
.
– রহমান ভাই আজকাল সত্যি বাচ্চাদের কাজ কর্মের জন্য ওদের নিয়ে খুব টেনশন হয়।
– হঠাৎ এরকম কথা বলছেন?
– আমার স্ত্রী বললো, সেলিম সাহবের ছোটো মেয়েটা নাকি এক গান্জাখোরের সাথে পালিয়ে গিয়েছে।
– সেলিম সাহেবের মুখে তো একবারে চুনকালি দিয়ে দিলো মেয়েটি।
.
– কেমন আছেন সেলিম সাহেব।
– ইদানিং কাজে একটু বেশিই ব্যস্ত আছি। আর বুঝেনই তো।
– হুম। বুঝি। আমিও তো একজন মেয়ের বাবা। তাই বলে শেষমেষ এইভাবে আপনার ছোটো মেয়ে আপনার মুখে চুনকালি মেখে দিলো।
– মানে কি?
– গান্জাখোরের সাথে পালিয়ে না গেলেও পারতো। আচ্ছা কয়দিন ধরে বাসায় নেই মেয়ে? আমাদের তো কিছু বলেনও নি?
– মেয়ে বাসায় নেই মানে? ঘন্টা খানেক আগেই তো আমি ছোটো মেয়ে আদিবা কে কোচিং থেকে বাসায় দিয়ে আসলাম।

إرسال تعليق