স্বপ্নদোষ এবং মাসিক হলে রোজা ভেঙ্গে যাবে কি না? (Golpo Share : গল্প শেয়ার)

ইসলামিক গল্প
ramadhan-men-guy-religion-muslim-3400244

স্বপ্নদোষ হলে কি রোজা ভেঙ্গে যায়?

হায়েজ/মাসিক হলে করণীয় কি?

ইসলামিক পেজ থেকে এই লেখাটি সংগ্রহীত।

স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভেঙে যাবে কি না?
আমরা অনেকেই ফজরের সালাত আদায় শেষে ঘুমাই অথবা যোহরে খুব ক্লান্ত লাগছে এ জন্য শুয়ে রেস্ট নিতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি কোন কোন সময় তখনি স্বপ্নদোষ হয়ে যায় তাই না?
সম্মানিত পাঠক, প্রথমত কথা হলো যে, রোযা থাকা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভেঙ্গে যাবে এই মর্মে কোন বর্ণনা হাদিসে নেই, কারো স্বপ্নদোষ হয়ে গেলে ভয়ের কিছু নেই, তার রোজা ভেঙে যাবে না। বরং শুধু তার উপর গোসল ফরজ হবে। ছেলে মেয়ে একই বিধান। আর জ্বি অবশ্যই, মেয়েদের ও স্বপ্নদোষ হয় বীর্যপাত হয়। একজন মহিলা সাহাবা এসে রাসুল (স) কে স্বপ্নদোষ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন। কাজেই সংকোচবোধ রাখা জরুরি নয়।  আরেকটি জরুরি কথা থাকছে যে এখন ফজরের আযান হচ্ছে প্রায় ৩ টা বেজে ৪৫ মিনিটে। যদি কোন স্বামী স্ত্রী রাত ৩ টার মাঝেই সেহরি খাওয়ার পরে আবার সহবাসে লিপ্ত হয় এবং ৩ টা ৪৫ বা আযান দেয়ার আগেই যদি কেউ সহবাস করে তাহলেও তাদের রোজা ভংগ হবেনা এমনকি নতুন করে সেহরিও খেতে হবেনা সহবাসের পরে। তবে উভয়ের উপর গোসল ফরজ হবে, গোসল করে নিয়ে তারা সালাত আদায় করবে। এখানে আরো একটি জরুরি কথা হচ্ছে,রোজা থাকা অবস্থায় যদি কারো হায়েজ/মাসিক শুরু হয় তাহলে সে রোজা ছেড়ে দিবে এবং নামাযও পড়া থেকে বিরত থাকবে আর বিরত থাকবে কুর আন মাজিদ স্পর্শ করা থেকেও। যে কয়দিন মাসিক চলবে সেই কয়দিন হিসেব রেখে দিবে এবং তা রমযান মাসের পরে কাযা আদায় করে নিবে, কিন্তু এই মাসিক অবস্থায় সালাত যেটা ছুটে যাবে সেগুলো কাজা করতে হবেনা। এগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ ছাড়।
ইসলামিক গল্প
book-quran-islam-holy-muslim-1283468/
অবশ্য কারো যদি কুরআন এর আয়াত মুখস্ত থাকে তাহলে সে তা বলতে পারবে এবং অন্যান্য যিকির করতে পারবে, আয়েশা (রা) মাসিক অবস্থায় কুরআন মাজিদ মুখস্ত পড়তেন। এরই ফাকে আরেকটু কথা যোগ করে নেই ধরুন কোন মেয়ে তার মাসিক অবস্থায় ৫ টা জামা ব্যবহার করে। ধরুন মেয়েটা পবিত্র হলো এবং সালাত আদায় করল অন্য পবিত্র কাপড় পরিধান করে। এরই ফাকে মা খালা ফুফুরা হয়ত বলবে যে, অমুক, তুই তোর ওই ৫ টা জামা ভাল করে ধুয়ে না দিলে তো তোর নামায হবেনা বা তুই এখনো পবিত্র হতে পারবিনা। মানে ওই ৫ টা জামা অপবিত্র রেখে অন্য যেকোন পবিত্র জামা পড়েও নাকি সালাত হবেনা, কেন?
এ জন্য যে, ওগুলো এখনো ধুয়ে দেয়নি। এটা হচ্ছে কিছু মহিলার দাবি, যা একেবারেই ঠিক নয়। হাদিস বানান করতে আরবিতে কয়টা অক্ষর লাগে এটাই জানেনা মা খালা ফুপিরা অথচ নামায হবেনা বলে ফতোয়া দিয়ে দিল। ধর্মিও জ্ঞান না থাকলেই এইরকম কথা বলে কেউ। পবিত্র হবার পরে আলাদা পবিত্র জামা পরে সালাত আদায় করলে সালাত আদায় হয়ে যাবে। তবে এখানে আরো কথা হলো এই যে,হায়েজ অবস্থায় যেসব কাপড় এ রক্ত লেগে যায় সেসব কাপড়ের জায়গা গুলো বারবার রগড়াতে/পরিষ্কার করে নিতে হবে।
ইসলামিক গল্প
ramadan-morocco-traditional-mosque-4159961

লেখাটি যদি ভালো লাগে তাহলে শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন