--শুয়ে শুয়ে ল্যাবটবে মুভি দেখছিলাম। তখন ফোনটা বেজে ওঠলো,ফোন হাতে নিয়ে দেখি সজীব ফোন করেছে রিসিভ করার পর...
--ওই সালা তোকে কতবার ফোন দেওয়া লাগে?(সজীব)
--এইতো দুলাভাই ১বার দিয়েছো!(নীল)
--দেখ,ফাজলামো সবসময় ভালো লাগে না। তাড়াতাড়ি নিচে আসবি নাকি আমাকে আসতে হবে আর যদি ওপরে আমার আসা লাগে তাহলে কি হবে বুঝতেই পাড়ছিস কিন্তু..!(সজীব)ভালোবাসার সেরা রোমান্টিক গল্প
Samsung Galaxy S20 FE 5G Full Review And Price
--না,না!দুলাভাই তোমাকে ওপরে আসা লাগবে না! তুমি 10 মিনিট দাড়াও আমি 20 মিনিট পরে আসছি বলে ফোন কেটে দিলাম!
ওহ সরি আমার পরিচয় তো দিলাম না! আমি নীল আহাম্মেদ! বাবা মায়ের ২য় সন্তান ! আমার বড় ভাইয়া একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করে!আর আমি লেখাপড়ার জন্য ময়মনসিংহে থাকি ! আর বাবা,মা,ভাইয়া সবাই আমার দেশের বাড়ি থাকে মুক্তাগাছা! যাই হোক আপনাদের পরিচয় দিতে দিতে আমি রেডি হয়ে গেছি এখন নিচে যাই !তা না হলে আমার দুলাভাই আমাকে শেষ করে দিবে! সরি নিচে যে দারিয়ে আছে সে আমার দুলাভাই না আমি তার দুলাভাই সেটা কেও জানি না!তবে এইটা যেনে নিন!ওই দুলাভাইটা আমার বেষ্টফেন্ড!হি্হিহিহি তার নাম সজীব !
.
--ওই সালা 10 মিনিটের নাম করে ৩০ মিনিট দার করিয়ে রাখলি! তোকে তো....?(সজীব)
--ওই সালা আমাকে দেখে কি তোর গাধা মনে হয়!(নীল)
--না তবে তার থেকেও বেশি দুলাভাই!(সজীব)
--চুপ সালা আমার ভিতরে কি আছে সেটা তোর বোনকে বল তোর বোনই বলে দিবে!(নীল)
--ইসসসস আমার বোন তোর এই হাবলামার্কা চেহারার দিকে কখনো তাকাবে না!(সজীব)
--আ্য্য আসছে কি আমার সুন্দরী বোনরে,, প্রেত্নী কোথাকার!(নীল)
--ওই সালা তোকে না বলেছি আমার বোনকে কখনো প্রেত্নী বলবি না!(সজীব)
--আচ্ছা প্রেত্নী না!পরি!হিহিহিহি এখন তো চল! কলেজে দেরী হয়ে যাচ্ছে!(নীল)
--হুম চল!(সজীব)
.
--ওহ আপনাদের তো বলাই হয়নি!আমি এইবার ডিগ্রি ১ম বর্ষে পরি! তারপরে আমি আর সজীব কলেজে চলে আসলাম!
কলেজে গিয়ে আরো দুই দুলাভাইয়ের সাথে দেখা মানে হৃদয় আর ইমন !হিহিহিহি..
.ভালোবাসার সেরা রোমান্টিক গল্প
--ওই সালা তোদের আসতে এতো দেরি হলো কেন?(হৃদয়)
--এই যে এই সালার বোনের জন্য!(নীল)
--এর বোন আবার তোর কি করলো?(হৃদয়)
--ওর বোন তো সকালে আমাকে জরিয়ে ধরে ছিল তাই দেরি হয়ে গেল!(নীল)
--মানে!আমার বোন আবার তোর কাছে কখন গেল!(সজীব)
--ওই যে সকালে ঘুম থেকে ওঠার আগে আমার স্বপ্নে কিন্তু সালা তুই তো আমাকে ডাক দিলি আর সেও হারিয়ে গেল!(নীল)
--কি বললি সালা !..(সজীব)
.
এই বলে সজীব আমার কাছে আসতে লাগলো! তার ভাব দেখে আমি বুঝতে পারলাম আমাকে দিবে, আমাকে আর পাবেকে দিলাম দৌড়!এক দরে ক্লাস রুমের মধ্যে! কিছুক্ষন পর সজীব,হৃদয়,আর ইমন ও আসলো! সজীব তো আমার দিকে সেই রাগি মুড নিয়ে তাকালো! আমি তো ভয়েই শেষ সালা যদি পুরা ক্লাস এর মধ্যে আমাকে মার শুরু করে তাহলে আমার তো মানসম্মান সব শেষ হয়ে যাবে!
কিন্তু সেটা আর হলো না!
কারন সে আমার কাছে আসতে আসতেই রুমের মধ্যে স্যার ঢুকে পরলো! তারপরে সবাই স্যারকে সালাম দিয়ে যার যার জায়গায় বসে পরলো!
আমিও বসে পরলাম!আমার পরে সজীব বসতে গেল!সে বসার আগেই আমি তার চেয়ারটা টেনে নিয়ে আসলাম!আর ওহ সাথে সাথে পরে গেল!
সবাই ক্লাসে মন দেওয়ার কারনে সজীবকে দেখতে পায়নি!কিন্তু স্যার দেখে আমাকে আর তাকে ডাক দিলো!....
--নীল,আর সজীব এইদিকে আসো!(স্যার)
--তারপরে আমি আর সজীব গেলাম!জি স্যার!(নীল)
--তোমরা কি এখনো ছোট আছো?(স্যার)
--সরি স্যার!আর কখনো হবে না!(নীল)
--এই কথাটা মনে থাকে যেনো !আর এখন ভুল করার জন্য তোমাদের ২জনকে রুম থেকে বের করে দেওয়া হলো!(স্যার)
--ওকে স্যার!বলে আমি আর সজীব চলে আসলাম!
--দেখ সালা তোর জন্য এমনটা হলো!(সজীব)
--আমি তো এটাই চেয়ে ছিলাম,(নীল)
--মানে..(সজীব)
--মানে,ওই স্যারের ক্লাস করতে ভালো লাগে না!তাই চলে আসলাম!(নীল)
--ভালো!কিন্তু আরো ২জন তো ভিতরে থাকলো!(সজীব)
--পিছনে তাকিয়ে দেখ তাহলেই বুঝতে পারবি!(নীল)
--তারপরে সজীব পিছনে তাকিয়ে দেখে হৃদয় আর ইমন ও আসছে!
--কি রে তোরা চলে আসলি কেন?(সজীব)
--আবে সালা তোরা ২জন ক্লাসে থাকবি না,আর আমরা সেই ক্লাস করবো তাই না,আমরাও চলে আসলাম!(হৃদয়)
--খুব ভালো করেছিস!এখন চল কিছু খেয়ে আসি!(নীল)
--হুম চল!(হৃদয়)
.
তারপরে আমরা ক্যন্টিনে চলে আসলাম!আপনারা হয়তো এটা বুঝতে পেরেছেন যে আমরা ৪ বেষ্টফ্রেন্ড সবাই সবার কলিজার টুকরা! যাই হোক !
ক্যন্টিনে এসে আমি বললাম!
--কি কি খাবি বল?(নীল)
--ওই সালা তুই জানিস না আমরা কি খাই!(সজীব)
--ওহ সরি দুলাভাই আমার ভুল হয়ে গেছে!আমি এখনি ওডার করে আসছি!(নীল)
--আচ্ছা তুই বস আমি ওডার করছি!(হৃদয়)
--যাহ!(নীল)
তারপরে হৃদয় চলে গেল ওডারের জন্য!আর আমাদের প্রিয় জিনিস আনতে! তখনই এনটি হলো হৃদয় এর গার্লফ্রেন্ড জান্নাতের..
ভালোবাসার সেরা রোমান্টিক গল্প
--এই নীল,,হৃদয় কোথায়..(জান্নাত)
--এইতো একটি মেয়ের পেছনে দেখলাম,,ঘুরঘুর করতেছে,কতবার বললাম জান্নাত তোকে অনেক লাভ করে,কে শুনে কার কথা..(যেখানে আমাদের কোনো গার্লফ্রেন্ড নেই আর তুই, সালা দিলাম প্যাচ লাগিয়ে,ভাবতেই ভালো লাগে হা হা হা,মনে মনে বললাম)
--কি বল,সত্যি..(জান্নাত)
--ভাবি আমরা কি মিথ্যা বলতে পারি বলেন..(সজীব)
--হুম তাইতো,তোমরা মিথ্যা বলবে কেনো,(জান্নাত)
--আর কিছু না বলে দেখলাম রাগে হনহন করে চলে গেলো,আর এই দিকে তো আমরা সবাই হাসাহাসি করছি,তখনই হৃদয় আসলো আর বললো...
--কি ব্যাপার,এতো হাসতেছিস কেনো..(হৃদয়)
--না এমনই..(নীল)
--ও.(হৃদয়)
--ওই সালা কি নিয়ে আসলি এইগুলো?(নীল)
--কেনো!ফুসকা!(হৃদয়)
--সালা ফুসকা কে খাবে?(নীল)
--কােনো আমরা সবাই খাবো!(হৃদয়)
--তোর ফুসকা গিয়ে জান্নাতকে খাওয়া সালা..(সজীব)
--ধুর বেটা..(হৃদয়)
--তোর ফুসকার গুষ্টি কিলাই!যাহ এখনি দিয়ে আয়!(নীল)
--কিন্তু এইগুলো তো আর নিবে না!(হৃদয়)
--তাহলে টাকা দিয়ে আয়!(নীল)
--না খেয়েই টাকা দিবো?(হৃদয়)
--দেখ মাথা গরম করিস না !যা বলছি তাই কর !(নীল)
--আচ্ছা যাচ্ছি!..(হৃদয়)
--হুম যা তাড়াতাড়ি..(সজীব)
--বলেই হৃদয় চলে গেল!
আর আমার এমন ব্যবহার দেখে ইমন বুঝে গেল!..(নীল)
--দেখ এইটা ক্যন্টিন!এইখানে ওইগুলো খাওয়া যাই না!(ইমন)
--আচ্ছা বাইরে চল !(সজীব)
হৃদয় আসলো তারপরে আমরা বাইরে চলে আসলাম!বাগানের ভিতরে !আর আসার সময় সাথে করে সেই জিনিস গুলোও আনা হয়েছে!
--নে দোস্ত এইখানে যত পারিস তত খা!(সজীব)
আপনারা হয়তো এখনো বুঝেন নি কি আনার কথা বলছি!সেইগুলো হলো সিগারেট!
হুম বের কর!তারপরে সিগারেট খেতে লাগলাম!
ভালোবাসার সেরা রোমান্টিক গল্প
--এইগুলো খাওয়ার জন্য আমাকে তখন ওইভাবে রাগ দেখালি!(হৃদয় গাল ফুলিয়ে বললো)
--আরে আরে আমার দুলাভাই টা বুঝি রাগ করেছে!(নীল)
--চুপ সালা তোর দুলাভাই কে?(হৃদয়)
--আচ্ছা এখন এইসব কথা বাদ দিয়ে যা করতে এসেছি তাই করি!(সজীব)
--জি ভাইজান!(নীল)
তারপরে আমরা সেইখানে বসে গল্প করতেছি আর হঠাৎ করেই কোথা থেকে যেনো জান্নাত এসেই হৃদয়কে মারতে লাগলো,এই কান্ড দেখে তো আমরা সবাই মুখ চেপে হাসতেছি!হঠাৎ করেই জান্নাত বলে ওঠলো!
--কি ব্যাপার তোমরা সবাই হাসতেছো কেনো..(জান্নাত)
--আসলে ভাবি,..(নীল)
--আসলে কি..(জান্নাত)
--আসলে হয়েছেটা কি আপনাকে যেইটা বললাম না,ওই সময়..(নীল)
--হুম,(জান্নাত)
--আপনাকে তো পুরোটা বলায় হয়নি তার আগেই আপনি চলে গেলেন,আসলে ওটা ওর বোন ছিল..(মিথ্যা বললাম )
--তাহলে ওটা ওর বোন ছিল..(জান্নাত)
--হুম..(নীল)
--এই নীল আমি কিন্তু কিছুই বুঝলাম না,ও মাগো..(হৃদয়)
--তোর কিছুই বুঝতে হবে না,তুই ভাবিকে নিয়ে বাসায় যা..(নীল)
--তোদেরকে পরে দেখে নিবো হে..(হৃদয়)
তারপর আমরা সবাই যার যার মত বাসায় চলে আসলাম।
রাতে খাওয়া দাওয়া শেষ করে!ভাবলাম মার কাছে ফোন দিবো এর মধ্যেই মা আমাকে ফোন দিলো!
--নীল কাল সকালে বাসায় চলে আসবি!(মা)
--কেনো মা,কোনো সমস্যা হয়েছে নাকি!(নীল)
--কোনো সমস্যা হয়নি, তিনদিন পর নিলার বিয়ে তাই!(মা)
--কি বলো মা নিলা এতো বড় হয়ে গেল যে তার বিয়ে?আসলে নিলা আমার ছোট কাকুর মেয়ে, কিছুদিন আগে দেখে আসলাম ইন্টার প্রথম বর্ষে পড়ে আর তার নাকি বিয়ে!
--হুম আর তুই একা আসবি না!(মা)
--তাহলে?(নীল)
--আমার ৩ ছেলে কেউ নিয়ে আসবি!(মা)
--ওহ বুঝেছি, আচ্ছা মা তাই হবে!(নীল)
মার সাথে কথা শেষ করে
সজীবের কাছে ফোন দিলাম!কারন সজীব আর হৃদয় এক সাথেই থাকে!
--হুম দোস্ত বল !এতো রাতে ফোন দিলি যে!(সজীব)ভালোবাসার সেরা রোমান্টিক গল্প
--কাল সকালে মুক্তাগাছা যেতে হবে!(নীল)
--দোস্ত প্লিজ আমাকে নিয়ে যা না!(সজীব)
--আরে সালা আমরা ৪ জনেই যাবো!(নীল)
--কি সত্যি?(সজীব)
--হুম!(নীল)
--আচ্ছা আমি ইমনকে বলছি!(সজীব)
--না থাক আমিই বলছি!(নীল)
--আচ্ছা,,(সজীব)
বলেই ফোন কেটে দিয়ে!
ইমনকে ফোন দিলাম!
--দোস্ত একটা ঘটনা ঘটে গেছে!(নীল)
--কি ঘটনা?(ইমন)
--আমাদের ৪ জনকে কাল সকালে মুক্তাগাছা যেতে হবে!(নীল)
--কেন?(ইমন)
--আমার কাকাতো বোনের বিয়ে তাই আমাদের সবাইকে মা যেতে বলেছে !(আমি)
--ওহ কিন্তু আমার তো যাওয়া হবে না!(ইমন)
--কেনো?(নীল)
--কারন আমার বোন বর্ষাকে নিয়ে!(ইমন)
--বর্ষা আবার কি করলো?(নীল)
--সে তো আমাকে যেতে দিবে না!কারন আমাকে ছাড়া থাকতে পারে না!(ইমন)
--ওহ তাহলে কি করবো এখন!(নীল)
--আচ্ছা তোরা গিয়ে ঘুরে আয়!(ইমন)
--চুপ সালা,তোকে ছাড়া কখনো কোথাও যাবো,এটা তুই ভাবলি কি করে,(আমি)
--তাহলে কি করবি?(ইমন)
--আচ্ছা একটা কাজ করলে কি হয়!(নীল)
--কি কাজ?(ইমন)
--তোর বোনকেও নিয়ে চল!(নীল)
--কিন্তু বর্ষা কি যাবে!(ইমন)
--তুই বলে দেখ প্লিজ দোস্ত !তুই না গেলে তো কোনো মজাই হবে না!(নীল)
--আচ্ছা আমি দেখছি!(ইমন)
--দেখছি না!তুই কাল আসবি আমরা তোর জন্য বাসটেনে দাড়িয়ে থাকবো বলে ফোনটা কেটে দিলাম! তারপরে ঘুমিয়ে গেলাম ! পরেরদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠে ফ্রেস হয়ে জামা কাপড় গুছিয়ে! নিয়ে সারাদিন বাসায় ছিলাম !রাতে যাবো বলে !আর আমার রাতে জার্নি করতে ভালো লাগে তাই! ভালোবাসার সেরা রোমান্টিক গল্প
রওনা দিলাম বাস স্টোশনের দিকে তাদের ৬টার সময় আসতে বলে ছিলাম!

إرسال تعليق