কবিতা: রবি ঠাকুর ও বাঙালি
লিখা: আবুল হাসমত আলী
বিশ্বকবি রবি ঠাকুরের পূর্বসূরী,
পূর্ববঙ্গ হতে দেন পশ্চিমবঙ্গে পারি।
দারোকানাথ রম্মানি ঠাকুরের পুত্র,
কিন্তু তিনি রামলোচনের দত্তক পুত্র।
রামলোচন দ্বারকানাথকে দত্তক নিলে,
তিনি ধনী হন রামলোচনের সম্পত্তিতে।
তাঁর কাছ হতে পান দেবেন্দ্রনাথ,
তার পরবর্তীতে পান রবীন্দ্রনাথ।
দেবেন্দ্রনাথ জমিদারি পেলেও
তিনি করেছেন জ্ঞানান্বেষণ,
রবির মধ্যে জ্ঞানের পূর্ণ বিকাশ
ঘটিয়ে করলেন বিশ্বকবি সৃজন।
বাংলাদেশ থেকে আগত,
পরিবার পশ্চিমবঙ্গে লালিত,
তার অর্জিত জ্ঞান পৃথিবীতে সমাদৃত,
বিশ্ববাসীর হৃদয়কে করল আলোকিত।
তাঁর উত্তরসূরি বাঙালি অমর্ত্য,
তিনিও পৃথিবীতে সমাদৃত,
তারপর বাঙালি অভিজিৎ,
যাদের জন্য গর্বিত বাঙালি জাত।
তাহলে বাঙালি পিছিয়ে কোথায়?
হ্যাঁ বাঙালি পিছিয়ে অর্থের মোকাবেলায়,
কিন্তু অর্থ নয় জাতির প্রকৃত বড়াই,
জাতির প্রকৃত বড়াই তার জ্ঞান-গরিমায়।
বাঙালি হীনমন্যতা কাটিয়ে উঠলে,
জ্ঞানী-গুণীদের পথ অবলম্বন করলে,
পৌঁছে যাবে তারা বিশ্বের কোলে,
বিশ্ব ভজনা করবে বাঙালি জাতিকে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন