আসসালামু আলাইকুম
গল্প শেয়ার এর পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগতম।
আজকের গল্প নাম (পারফেক্ট ম্যাচ) লেখেছেন মোঃ সাইফুল ইসলাম
![]() |
| ভালোবাসার কষ্টের গল্প |
সাদনান সদ্য ইন্টার পাস করে রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্দাথবিজ্ঞান নিয়ে পড়ার সুযোগ
পেয়েছে। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে সাদনান। অত্যন্ত
মেধাবী ও কঠোর পরিশ্রমের ফলে প্রত্যন্ত এলাকাতে
বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পড়ে আজ দেশের অন্যতম সেরা
বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে থাকা একটাতে পড়ার সুযোগ
পেয়েছে। সাদনান রাজশাহীতে মেসে থেকে পড়া -
শুনা করতে থাকে। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে তাই
টিউশনি করে নিজের খরচ নিজে বহন করে, সুন্দর ভাবে
পড়াশুনা করতে থাকে।
,
,
সাদনান অনার্স ২য় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে
নিজের বাড়ীতে আসে। বাড়ীতে অনেক দিন পর এসে
বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বের হয়। সাদনানের একজন ঘনিষ্ঠ
বন্ধু আছে সোহাগ। সোহাগের বাড়ীতে সাদনানের
সাথে পরিচয় হয় সোহাগের মামাতো বোন জেমির।
জেমি ইন্টারে নতুন ভর্তি হয় সাদনানদের কলেজে।
কলেজের আসা-যাওয়ার সুবিদার্থে জেমি, জেমির ফুফুর
বাড়িতে মানে সোহাগদের বাড়ীতে থাকছে। যেহেতু
সাদনান ২ বছর এলাকায় ছিল না, তাই জেমিকে চিনতো
না। পরিচয়ের পর সাদনান সোহাগদের বাড়ী থেকে চলে
আসে। সোহাগের সাথে ঘনিষ্ঠতার কারনে সাদনান
প্রায় সোহাগের বাড়ীতে যেতো। নিয়মিত সোহাগের
বাড়ীতে আসা যাওয়ার ফলে সাদনান ও জেমির মাঝে
একটা সম্পর্ক তৈরি হয়। জেমি খুব মেধাবী ছিল, এবং
বুয়েটে পড়ার স্বপ্ন দেখতো। সাদনান যেহেতু ভালো
ছাত্র ছিলো তাই জেমিকে সব দিক থেকে সাহায্য
করতো। জেমি সব সময় সাদনানকে বলতো আমি বুয়েটে
চান্স পাবো। তুমি শুধু আমাকে সাহায্য করো।
সাদনানের ভার্সিটি খুলার কারনে সাদনান রাজশাহী
ফিরে যায়, তবে জেমির সাথে নিয়মিত যোগাযোগ হয়।
,
,
,
জেমি এইচ.এস.সি তে ভালো রেজাল্ট করে। বুয়েটে
ভর্তি কোচিং করতে ঢাকা যায়। সাদনান একজন
শিক্ষকের মতো জেমিকে দিকনির্দেশনা দিতে থাকে।
ততদিনে সাদনান ও জেমির সম্পর্ক অনেক গভীর হয়েছে।
সাদনানের সঠিক দিকনির্দেশনা এবং জেমির
পরিশ্রমের ফলে জেমি বুয়েটে চান্স পায়। ততদিনে
সাদনানের অনার্স শেষ পর্যায়ে। জেমির বুয়েটে ভর্তি
হওয়ার প্রথম এক বছর সব কিছু ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু হঠাৎ
করে জেমির মাঝে পরির্বতন দেখা যায়। কারন ততদিনে
জেমি বুয়েটে বেশ আলোচিত নাম। এই সময় বুয়েটের এক
সিনিয়র ছেলে জেমিকে প্রপোজ করে। জেমি ভাবে
ছেলেটা সাদনানের চেয়ে হ্যান্ডসাম। ঢাকাতে
সেটেল, তাছাড়া ইন্জিনিয়ার বুয়েটের। এর সাথে
পারফেক্ট ম্যাচ হবে। তাই এখন জেমি আর সাদনানকে
তেমন সময় দেয় না। সাদনানের সাথে কথা বলতে
বিরক্তবোধ করে। সাদনান সবকিছু বুঝেও চুপ করে থাকে।
সে বুঝতে পারে জেমি আর আগের মতো নাই। জেমি এখন
দেশের সেরা বিদ্যাপীঠের ছাত্রী।
,
,
সাদনান অনার্স শেষ করে একটি কোম্পানিতে ভালো
পোস্টে চাকরি পেয়ে ঢাকাতে আসে। সাদনান
ঢাকাতে এসেছে এটা জেমি জানতো না। সাদনান ইচ্ছা
করে জেমিকে জানায় নাই। কারন জেমি এখন আগের
মতো নেই এইটা সাদনান জানে। সাদনান একদিন অফিস
শেষ করে, মেসে ফিরছিল এমন সময় জেমির সাথে দেখা
হয়। জেমি সাদনানকে দেখে ভূত দেখার মতো অাশ্চর্য
হয়। কারন তখন জেমির সাথে জেমির বয়ফ্রেন্ড ছিল।
সাদনান এইটা দেখার জন্য আগের থেকে তৈরি ছিল।
তাই সাদনান জেমিকে অচেনার ভান করে চলে যায়।
সেইদিন সাদনানের সাথে জেমির শেষবার দেখা হয়,
সেইদিন রাতে শেষবারের মতো কথা হয়। সাদনান
জেমিকে বলে " আমার সাথে এই রকম করলে কেনো?
জেমি বলে " দেখো তখন বয়স কম ছিলো বুঝি নাই। এখন
সব কিছু বুঝি। ভালো মন্দ বিচার করতে পারি, দেখো
তুমি সামান্য অনার্স কমপিল্ট করা ছেলে, অথচ আমি
বুয়েটে পড়া মেয়ে, তোমার সাথে আমার ম্যাচ করে না,
আমার সাথে যাকে দেখেছো ও এইবার পাশ করে বের
হইছে বুয়েট থেকে, ওর সাথে আমার ম্যাচ করে, আশা
করি বুঝতে পারছো, ভালো থেকো, এবং আমাকে ভুলে
যেও""' সাদনান জেমিকে কিছু না বলে কথা বন্দ করে
দেয়। সাদনান জেমির জীবন থেকে দূরে সরে এসেছে,
কারন সাদনান জানে একজনের জন্য জীবন থেমে থাকে
না।
,
১০ বছর পর সাদনান আজ একটি ছোটো খাটো
কোম্পানির মালিক। ভালো মেয়ে বিয়ে করে সংসার
করছে সুখে। অন্যদিকে জেমি একজন ইন্জিনিয়ার।
ভালো বেতনে চাকরি করে। তার প্রথম বয়ফ্রেন্ড তাকে
বিয়ের আগে একটি বাচ্চা উপহার দিয়ে চলে গেছে।
এরপর এক ব্যাংকারের সাথে বিয়ে হয়। কিন্তু তার
সাথেও বেশিদিন সংসার টিকে নাই। ইদানিং
অফিসের বসের না কি তার ফ্লাটে আসা যাওয়া
ভালোই হচ্ছে। এখন হয়তো তার সাথে জেমির পারফেক্ট
ম্যাচ হচ্ছে । তবে তাকে সমাজ কি বলবে????
বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্দাথবিজ্ঞান নিয়ে পড়ার সুযোগ
পেয়েছে। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে সাদনান। অত্যন্ত
মেধাবী ও কঠোর পরিশ্রমের ফলে প্রত্যন্ত এলাকাতে
বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পড়ে আজ দেশের অন্যতম সেরা
বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে থাকা একটাতে পড়ার সুযোগ
পেয়েছে। সাদনান রাজশাহীতে মেসে থেকে পড়া -
শুনা করতে থাকে। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে তাই
টিউশনি করে নিজের খরচ নিজে বহন করে, সুন্দর ভাবে
পড়াশুনা করতে থাকে।
,
,
সাদনান অনার্স ২য় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে
নিজের বাড়ীতে আসে। বাড়ীতে অনেক দিন পর এসে
বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বের হয়। সাদনানের একজন ঘনিষ্ঠ
বন্ধু আছে সোহাগ। সোহাগের বাড়ীতে সাদনানের
সাথে পরিচয় হয় সোহাগের মামাতো বোন জেমির।
জেমি ইন্টারে নতুন ভর্তি হয় সাদনানদের কলেজে।
কলেজের আসা-যাওয়ার সুবিদার্থে জেমি, জেমির ফুফুর
বাড়িতে মানে সোহাগদের বাড়ীতে থাকছে। যেহেতু
সাদনান ২ বছর এলাকায় ছিল না, তাই জেমিকে চিনতো
না। পরিচয়ের পর সাদনান সোহাগদের বাড়ী থেকে চলে
আসে। সোহাগের সাথে ঘনিষ্ঠতার কারনে সাদনান
প্রায় সোহাগের বাড়ীতে যেতো। নিয়মিত সোহাগের
বাড়ীতে আসা যাওয়ার ফলে সাদনান ও জেমির মাঝে
একটা সম্পর্ক তৈরি হয়। জেমি খুব মেধাবী ছিল, এবং
বুয়েটে পড়ার স্বপ্ন দেখতো। সাদনান যেহেতু ভালো
ছাত্র ছিলো তাই জেমিকে সব দিক থেকে সাহায্য
করতো। জেমি সব সময় সাদনানকে বলতো আমি বুয়েটে
চান্স পাবো। তুমি শুধু আমাকে সাহায্য করো।
সাদনানের ভার্সিটি খুলার কারনে সাদনান রাজশাহী
ফিরে যায়, তবে জেমির সাথে নিয়মিত যোগাযোগ হয়।
,
,
,
জেমি এইচ.এস.সি তে ভালো রেজাল্ট করে। বুয়েটে
ভর্তি কোচিং করতে ঢাকা যায়। সাদনান একজন
শিক্ষকের মতো জেমিকে দিকনির্দেশনা দিতে থাকে।
ততদিনে সাদনান ও জেমির সম্পর্ক অনেক গভীর হয়েছে।
সাদনানের সঠিক দিকনির্দেশনা এবং জেমির
পরিশ্রমের ফলে জেমি বুয়েটে চান্স পায়। ততদিনে
সাদনানের অনার্স শেষ পর্যায়ে। জেমির বুয়েটে ভর্তি
হওয়ার প্রথম এক বছর সব কিছু ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু হঠাৎ
করে জেমির মাঝে পরির্বতন দেখা যায়। কারন ততদিনে
জেমি বুয়েটে বেশ আলোচিত নাম। এই সময় বুয়েটের এক
সিনিয়র ছেলে জেমিকে প্রপোজ করে। জেমি ভাবে
ছেলেটা সাদনানের চেয়ে হ্যান্ডসাম। ঢাকাতে
সেটেল, তাছাড়া ইন্জিনিয়ার বুয়েটের। এর সাথে
পারফেক্ট ম্যাচ হবে। তাই এখন জেমি আর সাদনানকে
তেমন সময় দেয় না। সাদনানের সাথে কথা বলতে
বিরক্তবোধ করে। সাদনান সবকিছু বুঝেও চুপ করে থাকে।
সে বুঝতে পারে জেমি আর আগের মতো নাই। জেমি এখন
দেশের সেরা বিদ্যাপীঠের ছাত্রী।
,
,
সাদনান অনার্স শেষ করে একটি কোম্পানিতে ভালো
পোস্টে চাকরি পেয়ে ঢাকাতে আসে। সাদনান
ঢাকাতে এসেছে এটা জেমি জানতো না। সাদনান ইচ্ছা
করে জেমিকে জানায় নাই। কারন জেমি এখন আগের
মতো নেই এইটা সাদনান জানে। সাদনান একদিন অফিস
শেষ করে, মেসে ফিরছিল এমন সময় জেমির সাথে দেখা
হয়। জেমি সাদনানকে দেখে ভূত দেখার মতো অাশ্চর্য
হয়। কারন তখন জেমির সাথে জেমির বয়ফ্রেন্ড ছিল।
সাদনান এইটা দেখার জন্য আগের থেকে তৈরি ছিল।
তাই সাদনান জেমিকে অচেনার ভান করে চলে যায়।
সেইদিন সাদনানের সাথে জেমির শেষবার দেখা হয়,
সেইদিন রাতে শেষবারের মতো কথা হয়। সাদনান
জেমিকে বলে " আমার সাথে এই রকম করলে কেনো?
জেমি বলে " দেখো তখন বয়স কম ছিলো বুঝি নাই। এখন
সব কিছু বুঝি। ভালো মন্দ বিচার করতে পারি, দেখো
তুমি সামান্য অনার্স কমপিল্ট করা ছেলে, অথচ আমি
বুয়েটে পড়া মেয়ে, তোমার সাথে আমার ম্যাচ করে না,
আমার সাথে যাকে দেখেছো ও এইবার পাশ করে বের
হইছে বুয়েট থেকে, ওর সাথে আমার ম্যাচ করে, আশা
করি বুঝতে পারছো, ভালো থেকো, এবং আমাকে ভুলে
যেও""' সাদনান জেমিকে কিছু না বলে কথা বন্দ করে
দেয়। সাদনান জেমির জীবন থেকে দূরে সরে এসেছে,
কারন সাদনান জানে একজনের জন্য জীবন থেমে থাকে
না।
![]() |
| ভালোবাসার কষ্টের গল্প |
,
১০ বছর পর সাদনান আজ একটি ছোটো খাটো
কোম্পানির মালিক। ভালো মেয়ে বিয়ে করে সংসার
করছে সুখে। অন্যদিকে জেমি একজন ইন্জিনিয়ার।
ভালো বেতনে চাকরি করে। তার প্রথম বয়ফ্রেন্ড তাকে
বিয়ের আগে একটি বাচ্চা উপহার দিয়ে চলে গেছে।
এরপর এক ব্যাংকারের সাথে বিয়ে হয়। কিন্তু তার
সাথেও বেশিদিন সংসার টিকে নাই। ইদানিং
অফিসের বসের না কি তার ফ্লাটে আসা যাওয়া
ভালোই হচ্ছে। এখন হয়তো তার সাথে জেমির পারফেক্ট
ম্যাচ হচ্ছে । তবে তাকে সমাজ কি বলবে????
আজকের মতো এখানেই শেষ আগামি গল্পের জন্য অপেক্ষা করেন।
আপনি যদি চান আপনার লেখা গল্প শেয়ারে পোষ্ট করতে তাহলে এক্ষনি মেইল করেন আমাকে (golposhare@gmail.com) এ। সাথে আপনার ফেসবুক আইডির লিংক।
শেয়ার করেন আমাদের লেখা গল্প।
আল্লাহ হাফেজ।


إرسال تعليق