গভীর রাত তখন আনুমানিক 2
টা
জমিদার বাড়ির সবাই
ঘুমিয়ে আছে!!!
চারদিক নিস্তব্ধ! আর
নিস্তব্দতায় চারদিক
ছেয়ে গেছে
জমিদার বাড়ির রাধুনি
রান্না ঘরেই ঘুমায়
হঠাৎই একটা শব্দে তার ঘুমটা
ভেঙ্গে গেলো!
প্রথমে মনে করলো মনের ভুল! !!
তারপর
হঠাৎই ছাদ থেকে কিছু একটা
আওয়াজ আসতে
লাগলো! !
অন্ধকার ছিলো তাই সে
হারিকেন টা জ্বালিয়ে
রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে
পরলো!!
একপা - দুপা করে দোতলার
সিড়ির দিকে
এগোতে লাগলো!!
বাহির থেকে ঝিঁঝিঁর
আওয়াজ আসছে!!
কিছুক্ষণ পরপর দুইতিনটে
শিয়াল ডেকে
উঠছে!!!
রাধুনি ভয়ে ভয়ে হারিকেন
হাতে করে দোতালায়
ছাদে উঠতে লাগলো
ছাদে একটা হস্তচালিত
পাম্প বসানো ছিলো
যেটা নিচতলা থেকে
সোজা দোতালায় সংযোগ
রয়েছে!
দিনের বেলায় বাড়ির একজন
লোক ঐ পাম্পের
হাতল ধরে ওঠানামা করায়
এতে পানির ট্যাঙ্ক
ভরে যায়! !
রাধুনি ছাদের দরজা খুলে
উপরে উঠে দেখলো!!
পাম্পের হাতলটা নিজে
থেকেই একবার উপরে
উঠছে আবার নামছে! ! তবে
ছাদে বাতাসের
অস্তিত্ব নেই তাহলে
পাম্পের হাতল টি কিভাবে
নিজে থেকে উঠছে আবার
নামছে !" এরকমের
একটা প্রশ্ন জাগলো রাধুনীর
মনে! !
তারপর সে হাতলটির সামনে
দিয়ে হাত দিয়ে
হাতলটি ধরলো! এবার
হাতলটির উঠানামা থেমে
গেলো!,
সে পিছনে ফিরলো! আবার
সিড়ির দিকে
অগ্রসর হতে লাগলো
অল্প কিছুদুর যেতেই আবার সেই
একই শব্দ
তার কানে পৌছালো!!!
পাম্পের হাতলের শব্দ!
সাথে সাথে সে পিছনে
ফিরলো!! ফিরতেই
দেখলো! ! পাম্পের হাতলের
কাছে কালোর মতন
কেউ দাড়িয়ে আছে যে
পাম্পের হাতল উঠানামা
করতেছে! !
রাধুনী হারিকেন টা একটু
উপরে উঠিয়ে মেয়েটার
উদ্যেশ্যে করে বললো!
— কে আপনি!!
কোনো আওয়াজ আসলো না!
মেয়েটা আপন মনে
পাম্প এর হাতল উঠানামা
করতে লাগলো
তারপর রাধুনী তার হাত
দিয়ে মেয়েটাকে স্পর্ষ
করতেই একটা একটা পোড়া মুখ
তার সামনে চলে
আসলো
তার হাত থেকে হারিকেন
টা ছাদে পরে ভেঙ্গে
গেলো!!! আর ছাদ থেকে
একটা চিৎকার শোনা
গেলো
......
— দেখো রুমন কিছু একটা
করো!! আর কত
অশান্তি ভোগ করবো!!!
বাড়ির বড় বউ
পাগল হয়ে শিকল বন্ধি!!!
তোমার বড় ভাই
রাগ করে চলে গেছে!! ছোট
বউ ভয়ে বাপের
বাড়ি চলে গেছে
বাড়িতে এসব কি শুরু হলো!
(আমজাদ সাহেব)
— বাবা আমার এক বন্ধু বড়
নামকরা
সাইক্রেটিষ্ট ,ওকে
জানিয়েছি এখুনি চলে
আসবে !"
— যা করার করে এমনিতেই
কাল রাতে ও
একটা ঘটনা ঘটেছে!!
— হ্যাঁ! ! বাবা ও এখুনি চলে
আসবে
......
— স্যার স্যার!!! এমনিতেই
গ্রামের
রাস্তা! !! গাড়ি স্লো
স্প্রিড এ চালান"!
স্যার!
— কেনো সৌরভ! তোমার
ভয় লাগছে!
— ভয়! আর আমি!! ইমপসিবল! !! ভয়
লাগবে কেনো!! বলছি যদি
ভুল ক্রমে কোনো
দূর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেন তো!
— ঘটবে না!! ৷
— ঘটতেও তো পারে!( খুব
আস্তে বললো)
— কিছু বললে?
— না স্যার! !! By The Way!
স্যার
আমরা যাচ্ছি কোথায়?
— এখানকার জমিদার
বাড়িতে!
— তা স্যার কিসের জন্য
জানতে পারি?
— হ্যাঁ অবশ্যই! জমিদার
বাড়ির ভুত
খুঁজতে! !
— ভূূুুুুুুুুততত!!!!!
— একি ভুতের কথা শুনে
তোতলাতে শুরু করলে
কেনো?
— স্যার! !! ভূত খোঁজা ছাড়া
আর কোনো
কাজ নেই! ওখানে?
— একদমই না!
— স্যার না যেলে হয়না?
— যেতে হবে! আর আমি চাই
আমার পাশাপাশি
তুমি নিজে ঐ ভূতকে পরীক্ষা
করবে!
— কি!! ভূতের পরীক্ষা! !!!
সৌরভের চোখ মাথায় উঠে
গেলো!! আর গাড়ির
সিটে অজ্ঞান হয়ে শুয়ে
পরলো
পাশে স্যার মুচকি হাসতে
লাগলো!!
বেলা 12 টায় জমিদার
বাড়ির সামনে একটা
কালো গাড়ি থামলো!
— বাবা ঐ মনে হয় এসে
গেছে! (রুম্মান)
— হ্যাঁ যাও তাড়াতাড়ি
দেখো! ( আমজাদ
সাহেব)
— আর মা তুমি বাড়ির বাকি
সবাইকে ডেকে
আনো
রুম্মান গাড়ির সামনে
এগিয়ে গেলো
গাড়ির দরজা খুলেই একজন
লোক বেরিয়ে
পরলো!
চোখে কালো সানগ্লাস !!!
দাড়ি আছে!! চুলের
স্টাইলটাও সুন্দর!
— একি! দেখে মনি হচ্ছেনা
যে এ
সাইক্রেটিষ্ট! মনে হচ্ছে
বলিউডের কোনো
তারকা!( তিতুনি)
— তোর কাছে বলিউডের
তারকা,আর আমার
কাছে নিজের তারকা
(রুমানা)
সানগ্লাস টা খুললো
লোকটা!
রুম্মান গলা জড়িয়ে বললো
— রোহান! ! কেমন আছিস!
— আছি এইতো এরকম ওরকম! ! তুই!
— জানিস তো সব! যে
কারণে তোকে
ডাকলাম!
— জানি তো
— আয় ভিতরে আয়!
— wait আরেকজন আছে আমার
সঙ্গি!
— কোথায় সে?
রোহান পানির বোতল
থেকে অল্প পানি নিয়ে
অজ্ঞান সৌরভের মুখের ওপর
ছিটিয়ে দিলো!!
একটা লাফ দিয়ে উঠে বললো
সৌরভ! !!!!
আর আমতা আমতা করতে
লাগলো!!!
— কেমন লাগছে! এখন
— এক সেকেন্ডের জন্য মনে
হচ্চে স্যার
কোনো চুড়েল আমার বুকের
ওপর বসে বলতে
লাগলো! ,জানু তুমি এখানে
এসে ঠিক
করলেনা!!!
— ok চলো তোমার সেই
চুড়েল (অল্পবয়সী
সুন্দরী পিশাচিনী) কে
welcome জানাই
— কোথায় যাবো স্যার
— জমিদার বাড়ির ভিতরে!!
— কি!! জজজজজমি
— জমিদার বাড়ি!
— স্যার আমি বাড়ি যাবো!!!
৷
— ভয় পেয়েছো!
— ভয় আর আমি!! ইমপসিবল! ! চলুন
জমিদার বাড়ির ভিতরে
যাই!!! দাড়িয়ে আছেন
কেনো!!
— এ কে রোহান? (রুম্মান)
— আমার সরকারি! সৌরভ
— ওহ আসুন ভিতরে আসুন!
— স্যার ভিতরে যাবো এক
কন্ডিশনে!
— কি কন্ডিশনে ?
সৌরভ কানে কানে বলতে
লাগলো
— স্যার আপনি আগে যান! আমি
পিছে পিছে
আসছি!!!
— Ok!.
— কি গা ছমছমে!! পরিবেশ!
দিনের বেলায় ও ভয়ভয় করে!
( সৌরভ)
— আস্তে এখন ভিতরে চলো!
(রোহান)
রোহান আজিজ সাহেবের
পা ধরে সালাম দিলো
— আপনাদের বাড়ির
পরিবেশ টা ভালোই! !!!! মনে
হচ্চে না এখানে কোনো ভূত
প্রেত থাকতে পারে! !
(রেহান)
নিজের স্যারের মুখে এ কথা
শুনে চমকে উঠলো সৌরভ!
— কি বললেন স্যার! এই
বাড়িতে ভূত নেই!!!! তাহলে
আমরা আসলাম কেনো???
— কি বলছো বাবা তুমি!!
তাহলে আমাদের সাথে
এতোদিন যাযা অবিশ্বাস্য
ঘটনা ঘটে গেলো তা কি
ছিলো (মমতাজ বেগম)
— সমস্যা নেই আমি যখন এসে
গেছি তো দেখছি! ! শর্ষে
ক্ষেতে যখন ভূত লুকিয়ে থাকে
তাহলে তাকে খুঁজতে কেনো
শ্বশান ঘাটে যাবো!
— বুঝলাম না তোর কথাটি!
( রুম্মান)
— কিছুনা তবে আপতত এই
বাড়িতে কোনো ভূতই নেই!
বুঝলেন!
— ভূত যখন নেই তাহলে থেকে
লাভ নেই! ( সৌরভ)
— দেখলে বাবা আমি
বলেছিলাম না এখানে
কোনো ভূত নেই! (রুম্মান)
— বুঝলাম (আজিজ সাহেব)
— এ কে তো আমার বিয়েয়
আসলিনা ,এখন এসে আবার চলে
যাবি! ইমপসিবল! কমপক্ষে
তিনচার দিন বেরিয়ে
তারপর যাবি!! (রুম্মান)
— হ্যাঁ বাবা! রুম্মান তো
ঠিকই বলেছে কয়েকদিন
থেকে যাও(মমতাজ বেগম)
— আচ্ছা আন্টি সমস্যা নেই!
আগে একটু পরিচিত হই!
— হুম এই হলো আমার বাবা
মা!!!
— হুম তারপর
— ঐ আমার তিন বোন
আতিকা,রুমানা,আর তিতুনী! !
— Hi..!! (রুমানা, তিতুনী)
— আসসালামু আলাইকুম
(রোহান)
(মনে মনে তারা সালাম
গ্রহণ করলো!)
— আসসালামু আলাইকুম
(আতিকা)
— Hi!
— Hello
— তা বড় ভাবী আর তোর
বউকে দেখছিনা! (রোহান)
— রুপা তো ভয়ে বাপের
বাড়ি চলে গেছে,তুই যখন
বলেছিস ভুত টুত বলতে কিছু
নেই এখনি ওকে ফোন দিচ্ছি
সকালের মধ্যে চলে আসবে!
— বড় ভাবী?( রোহান)
বড় ভাবীর কথা শুনে সবাই চুপ
হয়ে গেলো
— সে পাগল হয়ে গেছে!!
তাই অন্য ঘরে আটকে রাখা
হয়েছে তাকে!
— ও তোমার বড় ভাইয়া কেও
খবর দেও ঠিকাছে (রোহান)
— সবকথা কি বাহিরে
দাড়িয়ে ই হবে ভিতরে
এসো!
— হ্যাঁ হ্যাঁ ভিতরে চল!রামু
কাকু ওদের রুমটা দেখিয়ে
দাও (রুম্মান)
— বাবু আনার সাথে আসুন( রামু
কাকা)
রোহান তার ডান পা
জমিদার বাড়ির ওপর ফেলে
ভিতরে ঢুকলো!!
— আসুন বাবু এদিকে আসুন আমার
সাথে সাথে আসুন!
— স্যার বাড়িতে ভূত নেই
যাইহোক একটু শান্তি
পেলাম! !
— কেনো তোমার চুড়েল
আসবেনা! !!!
— স্যার ওটা স্বপ্ন ছিলো
তো!
— ওওও!
— বাবু এই আপনাদের রুম!
বিশ্রাম নিন, কিছু লাগলে
আমাকে বলবেন
— আচ্ছা ঠিকাছে (সৌরভ)
— শুনুন (রোহান)
— হ্যাঁ বলুন (রামু কাকু)
— আচ্ছা জমিদার আজিজ
সাহেব লোকটা কেমন!
— হঠাৎই এই প্রশ্ন কেনো
বাবু
— না এমনিতেই
— সাহেব খুব ভালো স্যার!
আসলে ঐ ডাইনীর জন্য সবাই
চিন্তিত!
— ডাডাডাডাইন!!!!!!!!!(সৌরভ)
— হ্যাঁ বাবু ডাইনী
— মানে!
— রাতের বেলায় এই
বাড়িতে ডাইনী ঘুরে
বেড়ায়, বিশেষ করে ছাদে!!!
তাই রাত হলেই যে যার রুমে
চলে যায়! কিন্তু আপনি বলছেন
কোনও ভূত নেই! অথচ গতকাল
রাতেও বাড়ীর রাধুনীকে
ছাদে অজ্ঞান অবস্থায়
পাওয়া যায়!
— ও বুঝলাম আর বড় ভাবীর
ব্যাপার টা!
— সবাই মনে করে ঐ ডাইনী
বড় বউয়ের মাঝে রাত হলে
প্রবেশ করে, তাই তাকে
বাড়ির পিছনে একটা ছোট
ঘরে বন্ধি করে রাখা
রয়েছে! তারপর ও শান্তি
পেলোনা!
— আচ্ছা! বুঝলাম! আপনি এখন
আসতে পারেন
— আচ্ছা বাবু
রোহান দরজা আটকে দিলো
দরজা আটকে পিছনে
তাকাতেই সে অবাক হয়ে
গেলো!
সৌরভ একদৃষ্টিতে তাকিয়ে
আছে দিকে আর কাঁপছে!
— সৌরভ! কি হলো
— স্যার বাড়িতে ভূত নেই
শুনে সাইলেন্ট মুডে ছিলাম
কিন্তু এই ডাইনী আমার
ভাইব্রেশন মুড অন করে
দিলো! !!
— তাহলে এখন ভাইব্রেশন মুড
অন করে তারাতারি
জেনারেল মুডে আসো!
— No way sir... এটা এখন থেকে
Continue চলবে! কেঁচো খুরতে
গিয়ে সাপ বের হলো
— মানে!!
— স্যার! কেনো এতো
মানে মানে করছেন! চুড়েল
এখন ডাইনীতে পরিণত
হয়েছে! !!!
— হাহাহা!!!
— স্যার ভয়ে হাত পা
কাঁপছে আর আপনি হাসছেন
— তুমি নাকি ভয় পাওনা!!
— স্যার ভয় পাইনা বলে কি
আর ভয় পাবোনা
— এখন বিশ্রাম নেও রাতে
অনেক কাজ আছে!
— রাতে!!!!! কিসের কাজ !
— তা রাতেই বলবো!!! এখন
বিশ্রাম নেও
— ভুত যখন নেই বাড়িতে তখন
রাতে কাজ না করলে হয়না
— কাজ টা করতেই হবে! বুঝলে
— আচ্ছা স্যার! !!
— এখন বিশ্রাম নেই, আমি একটু
আসছি!!!
— স্যার কোথায় যাচ্ছেন!!!
— জমিদার বাড়ির পিছন
দিকটায়!
— যেখানে বাড়ির বড় বউকে
আটকে রেখেছে
— হ্যাঁ
— কেনো যাবেন স্যার!
— গেলেই বুঝতে পারবে,
চলো দেরি হয়ে যাবে!
— চলুন!
রোহান সৌরভ বেরিয়ে
গেলো! অল্প একটু যেতেই
আজিজ সাহেবের সাথে
দেখা হলো
— কোথায় যাচ্ছো! ( আজিজ
সাহেব)
— আপনার কাছেই
যাচ্ছিলাম!( রোহান)
— আমার কাছে! কেনো?
— আপনাদের বাড়ির
পিছনদিকে যে কুঠিটা আছে
যেখানে বাড়ির বড় বউকে
রেখেছেন তার সাথে একটু
দেখা করবো!
— কিন্তু কেনো?
— সময় আসুক তারপর বলবো
আজিজ সাহেব পকেট থেকে
একটা চাবি বের করে
রোহানের হাতে দিয়ে
বললো!
— এই নেও! সন্ধার আগেই চলে
আসবে! তুমি যদি চাও আমি
তাহলে তোমার সাথে
লোক দিয়ে দেই
— না আঙ্কেল তার প্রয়োজন
নেই!!
এই বলে রোহান চাবিটা
নিয়ে চলে গেলো
আজিজ সাহেব মনে মনে
ভাবতে লাগলো
" ছেলেটা কি করতে
চাচ্ছে? "
.....
রোহান আর সৌরভ জমিদার
বাড়ির পিছনের দিকে জঙ্গল
এর মধ্য থেকে হাঁটছে
— স্যার যদি উনি আমাদের
দেখে আমাদের ওপর যদি
প্রাণঘাতী হামলা করে! !!
স্যার আসলেই কি বাড়িতে ভূত
আছে!!!
রোহান চুপ করে রইলো
কোনো কথা বললো না!
— স্যার যদি ভূত নাই থাকে
তাহলে আপনি ডাইনীর কথা
শুনে এখন এসব কাজ করছেন
কেনো? আপনি নিজেই
বলছেন যে বাড়িতে নাকি
ভূত নেই! আমি বিষয়টায়
ঘুলিয়ে ফেলছি! !!!
— ভূত নেই বলার একটা কারণ
আছে
— কি স্যার! আসলেই কি
কোনো ভূত বা ডাইনী আছে?
— এখন না পরে বলবো! এখন
বললে কাহিনীতে টুইষ্ট
থাকবে না! সঠিক সময় আসুক!
এই বলে রোহান এককদম
এগিয়ে গেলো!
সৌরভ দাড়িয়ে ভাবতে
লাগলো
— কাহিনীতে টুইষ্ট!! সেটা
কি!! যদি ভূত বা ডাইনী
থেকেই থাকে তাহলে স্যার
প্রথমে কেনো বললো যে
বাড়িতে কোনো ভূত প্রেত
নেই!! বুঝলাম না! স্যার! !
স্যার!!
সামনে তাকিয়ে দেখলো
রোহান অনেকদুর চলে গেছে
সৌরভ দৌড় দিলো আর
বললো
— স্যার! স্যার দাড়ান আমিও
আপনার সাথে আসছি,জঙ্গলে
একা রেখে যাবেন না স্যার
...... .
To Be Continue......
ভালো লাগলে বলবেন!!
সবার মতামত চাই·…
ধন্যবাদ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন